A Top Ads

নারায়ণগঞ্জ ক্রাইম নিউজঃ  নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ভুয়া কমিটি করে মসজিদের জমি বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে কাদির গংদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালয়ে রুহুল আমীন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৮ সালে উপজেলা সাদিপুর ইউনিয়নের নানাখী পূর্বপাড়া জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৮ মে ১৯৭৮ সালের ১২৯২৬ নং দলিলের ২ নং পাতায় মরহুম আব্দুল হামিদ মাস্টার একটি কমিটি গঠন প্রদ্ধতি লিপিবদ্ধ করে যান। মসজিদের কমিটির গঠনের পদ্ধতি ছিলো আব্দুল হামিদ মাষ্টারের তিন মেয়ে ও দুই ছেলের পর্যযানুক্রমে ওয়ারিশদের মধ্যে ব্যারিস্টার রাবেয়া ভূইয়রা স্বামী ব্যারিস্টার মোজ্জামেল হক ভূইয়া সভাপতি ছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পরে তার বড় ছেলে আজিজ আহম্মেদ এই মসজিদটি সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মারা যাওয়ার পরে আব্দুল হামিদ মাস্টারের ২য় ছেলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জৈষ্ঠ্য আইনজীবী ড.কাজী আকতার হামিদ এই মসজিদের সভাপতি হিসাবে স্থলাভিশিক্ত হন।

এর বাহিরে কোন কমিটি করার আইনগত ভাবে কোন সুযোগ নেই। বর্তমানে কমিটি থাকলেও গত ১৩ নভেম্বর ১৫ সালে একই পরিবারের ১০ জন কে নিয়ে একটি ভূয়া কমিটি গঠন করে। পরে ১১ শতাংশ জমি আমানউল্লাহর নিটক ১৬৩০৪ দলিলমূলে সাব-বিক্রয় করিয়া ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন তারা।

পরবর্তীতে আবারো দুইটি দলিলধারা আরো ১১ শতাংশ জমি বিত্রয় করেন। এই জমি উদ্ধারের আইনগত কার্যত্রম গতকাল রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতে রুহুল আমিন বাদী হয়ে একটি মামলা দয়ের করেন। যার মামলার নম্বার ২৬২/২০২৪। ভূয়া কমিটি করে মসজিদের জায়গা না জানিয়ে জমি বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন কাদির গংরা।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ এসেছে। এ ব্যাপারে উভয় পক্ষের সাথে বসে শুনানি করা হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুুদুল হক বলেন, অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগের সংবাদ দেখুনপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নূর ও বাবলু
পরের সংবাদ দেখুনসিদ্ধিরগঞ্জে মানবতার সেবায় কাজ করছেন বদর উদ্দিন ও আলী আজগর