A Top Ads

নারায়ণগঞ্জ ক্রাইম নিউজঃ নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন পেতে ইতিমধ্যেই নজরুল ইসলাম আজাদ ও মাহমুদুর রহমান সুমনের দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে। ইতিমধ্যেই দুইজনের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

নেতাকর্মীরা জানান, উপজেরা দুপ্তারা এলাকায় ১৩ আগষ্ট বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমনের অনুসারীরা গাউছিয়া এলাকা থেকে মোটরসাইকেল র‌্যালী বের করে। আড়াইহাজারের দুপ্তারা এলাকায় পায়রা চত্বরে মোটরসাইকেল র‌্যালীটি পৌঁছালে সেখানে চত্বরে থাকা বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদের ব্যানার ফেস্টুন ছিড়ে ফেলে তারা।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আজাদ অনুসারীরা তাদের ধাওয়া দেয়, এতে দুই নেতার অনুসারীদের সাথে সংঘর্ষ বাধে। পরে মাহদুর রহমান সুমনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তালা দেয় আজাদ অনুসারীরা। এসময় ধাওয়া খেয়ে সুমন পালিয়ে যায়। এসময় দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই গ্রুপের কমপক্ষে ১৫জন নেতাকর্মী আহত হন।

বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী নারায়ণগঞ্জ ক্রাইম নিউজকে জানান, গত ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতা ও বিএনপি নেতাকর্মীদের আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকার পতন হওয়ার পর আড়াইহাজার বিএনপির নেতাকর্মীরা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নজরুল ইসলাম আজাদ ও মাহমুদুর রহমান সুমনের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে দলীয় ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে বলে জানান তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকানদার জানান, আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা যেভাবে মানুষের বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালিয়েছে তা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সুমন ও আজদকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি জানান তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির এক নেতা জানান, আমাদের দলীয় হাই কমান্ডের নির্দেশের বাইরে গিয়ে কেউ যদি মানুষের বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট অগ্নিসংযোগ করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আগের সংবাদ দেখুনগডফাদার শামীম ওসমান কোথায়ঃ গিয়াস উদ্দিন
পরের সংবাদ দেখুনগৃহবধুকে ধর্ষণের চেষ্টায় আওয়ামীলীগ নেতা গ্রেফতার